
যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান তেলের বাজার থেকে প্রচুর লাভ করছে। হরমুজ প্রণালী ব্যবহার করতে সক্ষম একমাত্র প্রধান রপ্তানিকারক দেশ হওয়ায় এবং অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় দেশটি কয়েক কোটি ডলার অতিরিক্ত আয় করেছে।
ইরানের প্রধান অপরিশোধিত তেল মূলত চীনে বিক্রি হচ্ছে এবং এটি ব্রেন্ট ক্রুডের তুলনায় গত ১০ মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম দামে পৌঁছাচ্ছে। যুদ্ধ ও বোমা হামলার পর আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারের ওপরে উঠে গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই মাসে ইরানের দৈনিক তেল রপ্তানি যুদ্ধ-পূর্ববর্তী প্রায় ১৬ লাখ ব্যারেলের কাছাকাছি রয়েছে। তেল বহনকারী জাহাজগুলো খার্গ দ্বীপ টার্মিনাল থেকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে পারস্য উপসাগর অতিক্রম করছে এবং সম্প্রতি কার্যক্রমের গতি বাড়েছে।এতে উপসাগরের অন্যান্য উৎপাদক দেশগুলোর ওপর আরোপিত অবরোধের প্রভাব খর্ব হচ্ছে। আমেরিকা ও ইসরায়েল ইরানের ওপর বিমান হামলা চালিয়েও তেহরানের অর্থ জোগান বজায় রাখার ক্ষমতা থাকায় তাদের সামরিক প্রচেষ্টা ব্যাহত হয়েছে।
এদিকে তেলের দামের ওপর যুদ্ধের প্রভাব কমানোর লক্ষ্যে ওয়াশিংটন ইরানি তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে স্থগিত করার মতো আশ্চর্যজনক পদক্ষেপ নেওয়ায় তেহরান আরো বেশি লাভবান হচ্ছে। কলাম্বিয়ার সেন্টার অন গ্লোবাল এনার্জি পলিসি বলেছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রশাসন কার্যত ইরানকে তেল বিক্রি করার সুযোগ দিচ্ছে। ইরানের প্রধান,ইরানি লাইট তেলের দামের ওপর ভিত্তি করে দেখা গেছে, মার্চ মাসে এখন পর্যন্ত ইরান প্রতিদিন প্রায় ১৩৯ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে।









