
গুজরাটে কাজে গিয়ে মালিকের অত্যাচারের শিকার কালনার নাবালক। খাবার নষ্ট করায় দিনের পর দিন মারধরে কার্যত হাঁটাচলা করতেই পারছে না বছর ১১-র ওই নাবালক। অত্যাচার এমন পর্যায় পৌঁছয় যে ওই নাবালকের গলায় ঘা পর্যন্ত হয়ে গিয়েছে।
পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে এক যুবকের মাধ্যমে ওই নাবালককে হাওড়ায় পাঠিয়ে দেয় কারখানার মালিক। আপাতত কালনা হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে ওই নাবালকের। ঘটনার পরেই পুলিশ এবং মহকুমা শাসকের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে পরিবারের সদস্যরা। তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মহকুমা শাসক। জানা গিয়েছে কালনার উপলতি এলাকায় বাড়ি বছর ১২-র ওই নাবালকের। বছর দুয়েক আগে আর্থিক অনটনের কারণে গুজরাটের রাজকোটে কালনার শিকারপুরের বাসিন্দা হাঁপান মল্লিকের সঙ্গে সিটি গোল্ডের কাজে যায়। অভিযোগ গুজরাটে যে কারখানায় কাজ করত সেখানেই দীর্ঘদিন ধরে অত্যাচার করা হচ্ছিল ওই নাবালককে।
এমনকি বাড়িতে ফোনে কথা বলার সময় যাতে অভিযোগ না করতে পারে সেই সময়ও মালিক পাশে দাঁড়িয়ে শাসাতেন বলে অভিযোগ। নাবালকের মা পূর্ণিমা দুর্লভ ও বাবা বিশ্বনাথ দুর্লভ জানিয়েছেন ভাত নষ্ট করায় প্রত্যেকদিন তাঁদের ছেলেকে লোহার রড দিয়ে মারধর করা হত।









