
ভবানীপুরে ছাত্রীর মৃত্যুতে জড়ালো আর জি করের তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ খুনে দোষী সাব্যস্ত সঞ্জয় রায়। ক্লাস সিক্সের যে ছাত্রীর দেহ বাড়ির আলমারি থেকে উদ্ধার হয়েছে সেই শিশুটি সঞ্জয় রায়ের সম্পর্কে ভাগ্নি।
সঞ্জয় রায়ের বড়দির মেয়ে। সঞ্জয় রায়ের দিদিরও ঝুলন্ত অবস্থায় দেহ উদ্ধার হয়েছিল। এরপর মেয়েটির বাবা শ্যালিকাকে বিয়ে করেন। প্রতিবেশীদের দাবি কয়েক বছর আগে শিশুটির মায়েরও ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছিল। তখন থেকেই ক্ষোভ ছিল। কিন্তু তখন অভিযোগ জানিয়েও কিছু হয়নি। পরিবারের এক সদস্য পুলিশে রয়েছে দেখে কোনও ব্যবস্থা হয়নি।
এখন শিশুটি মারা যাওয়ার পরেও বাবা, সৎ মারে কোনও শোক দুঃখ ছিল না বলে দাবি প্রতিবেশীদের, উল্টে আমোদ-প্রমোদে ব্যস্ত ছিলেন। অভিযুক্তদের ফাঁসি, বা যাবজ্জীবন সাজা চাইছেন বিদ্যাসাগর কলোনির বাসিন্দারা।









