
৩ শিশুকে বাঁচাতে পারলেও ঝাঁসির মহারানি লক্ষ্মীবাঈ মেডিক্যাল কলেজের আগুন থেকে নিজের সন্তানকে বাঁচাতে পারেন নি এক যুবক।
মা-বাবার সামনেই ঝলসে মৃত্যু হয়েছে সদ্যোজাত শিশুর। শরীর খারাপ থাকায় ১০ দিনের শিশুকে নিয়ে হাসপাতালে গিয়েছিলেন এক দম্পতি। শিশু বিভাগেই ভর্তি ছিল সে। শিশু বিভাগের সামনের বারান্দাতেই বসে অপেক্ষা করছিলেন কুলদীপ ও তাঁর স্ত্রী। আচমকা শিশু বিভাগের এনআইসিইউ-তে নার্স এবং হাসপাতাল কর্মীদের ছুটতে দেখে ঘাবড়ে গিয়েছিলেন। চিৎকার চেঁচামেচিতে গিয়ে দেখেন, ধোঁয়ায় ভরে গিয়েছে এনআইসিইউ। ভর্তি থাকা শিশুদের উদ্ধারে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন কুলদীপ। ৩ শিশুকে দ্ধার করতে পারলেও নিজের শিশুকে বাঁচাতে পারেননি আগুানের গ্রাস থেকে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ১০ শিশুর মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব। এক্সপোস্টে এই দুর্ঘটনার জন্য চিকিৎসা ব্যবস্থা ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে তিনি লিখেছেন, নিম্নমানের অক্সিজেন কনসেনট্রেটর থাকার জন্যই এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। দুর্ঘটনায় দায়ী সকলের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। মুখ্যমন্ত্রীর উচিত সবার আগে স্বাস্থ্য ও ওষুধের পরিস্থিতির দিকে নজর দেওয়া। তিনি লিখেছেন, নির্বাচনী রাজনীতি না করে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সঠিক তদন্ত করা হোক। তাঁর অভিযোগ, উত্তরপ্রদেশের স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা ব্যবস্থা অত্যন্ত খারাপ পর্যায়ে পৌঁছেছে। ঝাঁসির অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাকে হৃদয়বিদারক বলে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এক্সপোস্টে তিনি লিখেছেন, উত্তরপ্রদেশের ঝাঁসির মেডিকেল কলেজে আগুন লাগার ঘটনায় যারা তাদের সন্তানদের হারিয়েছে তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা।
রাজ্য গভীর সমবেদনা। রাজ্য সরকারের তত্ত্বাবধানে স্থানীয় প্রশাসন ত্রাণ ও উদ্ধারের সমস্ত চেষ্টা করছে।
ছবি সৌজন্যে : এক্স









