
সরকারি জ্বালানি ভর্তুকির কারণে জাপানে আগস্টে মুদ্রাস্ফীতি কমে ২.৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এতে বিশাল মূল্যবৃদ্ধির পর চালের দামও কিছুটা কমেছে।উল্লেখ্য জাপানে মুদ্রাস্ফীতি চালের দামের উপর নির্ভরশীল।আগস্টে চালের দাম আগের বছরের তুলনায় ৬৮.৮ শতাংশ বেড়েছে।
যদিও এটি জুনে প্রায় ১০০ শতাংশ এবং জুলাই মাসে ৯০.৭ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছিল।এদিকে,চালের দাম বৃদ্ধির কারণে ক্ষুব্ধ ভোটাররা ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। এর ফলে চাপে থাকা প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবা এ মাসে ঘোষণা করেছেন যে তিনি পদত্যাগ করবেন, কারণ তার জোট পার্লামেন্টের দু’ কক্ষেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে।অন্যদিকে,২০২৩ সালের প্রচণ্ড গরমের কারণে সরবরাহ ব্যাহত হওয়া এবং গত বছর এক মেগা ভূমিকম্প সতর্কতার কারণে চালের দাম আকাশচুম্বী হয়। কারণ আতঙ্কে লোকজন ও অসাধু ব্যবসায়ীরা চাল মজুত করে রাখে।
জাপানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পচনশীল খাদ্যের দাম বাদ দিয়ে একটি কোর ইনফ্লেশন রিপোর্ট তৈরি করেছে। এই রিপোর্টে উঠে আসা মুদ্রাস্ফীতি বাজারের প্রত্যাশার সঙ্গে মিলে গেছে এবং মুদ্রাস্ফীতি জুলাইয়ের ৩.১ শতাংশ থেকে কমেছে।মুদ্রাস্ফীতি কমার প্রধান কারণ হলো বিদ্যুৎ ও গ্যাস ভর্তুকি পুনরায় চালুর ফলে জ্বালানি দামের পতন।









