
মহিলা সংগীতশিল্পীদের মধ্যে রিয়ানাই প্রথম বিলিয়ন ডলারের ক্লাবে প্রবেশ করেন। তবে এখন পর্যন্ত ফোর্বস অবলম্বনে সেরা দশে থাকা পপ সংস্কৃতির উজ্জ্বল তারকা টেলর সুইফট এখন কেবল সংগীতজগতের নয়, অর্থনীতির ক্ষেত্রেও এক বিস্ময়।
শিল্পীদের অধিকার ও নারীর ক্ষমতায়নের পক্ষে খোলামেলা কথা বলা এই শিল্পীর ক্যারিয়ার সম্প্রতি নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।পুরোনো স্টুডিও অ্যালবামগুলোর স্বত্ব ফিরে পেতে নিজের গানগুলো নতুন করে রেকর্ড করা থেকে শুরু করে, নতুন গান তৈরি ও বিশ্বব্যাপী ইরাস ট্যুরের ১৪৯টি শো করার মতো কঠিন কাজ একসঙ্গে সামলেছেন তিনি। পাঁচ মহাদেশব্যাপী চলা এই ট্যুর নতুন রেকর্ড গড়েছে। সব মিলিয়ে এখন তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার, যা তাঁকে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী মহিলা সংগীতশিল্পীতে পরিণত করেছে। এরপরেই রয়েছেন বার্বাডোজের গায়িকা, অভিনেত্রী ও সফল ব্যবসায়ী রিয়ানা। মহিলা শিল্পীদের মধ্যে এই শতকে তাঁর রেকর্ডই সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে ,গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অনুযায়ী। ডিজিটাল সিঙ্গেলের দিক থেকেও তিনি সবচেয়ে বেশি সার্টিফায়েড মহিলা শিল্পী। তবে কেবল গান নয়, তাঁর মেকআপ ব্র্যান্ড রীতিমতো বিপ্লব এনেছে রূপচর্চার জগতে। সব মিলিয়ে তাঁর সম্পদ এখন ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার। ইদানীং অবশ্য গানের চেয়ে ব্যবসায় মনোযোগ বেশি। তবে ক্যারিবিয়ান গায়িকা জানিয়েছেন, শিগগিরই নতুন অ্যালবাম নিয়ে ফিরবেন তিনি। এদিকে গান, অভিনয়, প্রযোজনা, প্রসাধনসামগ্রী ও পোশাক ব্যবসা মিলিয়ে এই সম্পদের মালিক হয়েছে সেলেনা গোমেজ।ইদানীং গানের চেয়ে অভিনয়েই বেশি মনোযোগী তিনি। মনোনয়ন পেয়েছিলেন এবারের অস্কারেও। নিয়মিত টিভি সিরিজ ও তথ্যচিত্র প্রযোজনাও করেন সেলেনা। ওদিকে,কুইন অব পপ খেতাব ম্যাডোনার জন্য নেহাত অলংকার নয়,এ উপাধি তিনি অর্জন করেছেন আশির দশক থেকে নব্বইয়ের দশক পর্যন্ত পপ সংস্কৃতিতে বিপ্লব ঘটিয়ে।গানের পাশাপাশি ফ্যাশন ও স্টেজ পারফরম্যান্সেও তিনি অগ্রগণ্য এক নাম। তাঁর সম্পদের পরিমাণ এখন ৮৫০ মিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে,গত বছর কাউবয় কার্টার অ্যালবাম দিয়ে ঝড় তোলা গায়িকা বিয়ন্সে এবারের গ্র্যামিতেও পুরস্কার জয়ে রেকর্ড গড়েছেন। গানের সঙ্গে নানা ধরনের ব্যবসার সঙ্গেও যুক্ত। বিয়ন্সের বর্তমান সম্পদ ৭৬০ মিলিয়ন ডলার।আর,অসুস্থতার কারণে অনেক দিন সেভাবে গানে নেই সেলিন ডিওন। তবে এই কানাডীয় গায়িকার সম্পদের পরিমাণ কম নয়। মঞ্চে গান গাওয়া ছাড়াও লাস ভেগাসে তাঁর দীর্ঘ সময়ের রেসিডেন্সি শো তাঁর সম্পদ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে। তাঁর মোট সম্পদ এখন ৫৫০ মিলিয়ন ডলার।আছেন,বারবারা স্ট্রেইস্যান্ড, ৪৬০ মিলিয়ন ডলার।বারবারা স্ট্রেইস্যান্ড হলেন প্রথম পারফর্মার, যিনি এমি, গ্র্যামি, অস্কার ও টনি,এই চারটি পুরস্কারই পেয়েছেন। তাঁর গান কালজয়ী, দর্শকনন্দিত এবং কনসার্ট টিকিট মুহূর্তেই বিক্রি হয়ে যায়। মাই নেম ইজ বারবারা বইয়ের লেখক স্ট্রেইস্যান্ডের সম্পদ ৪৬০ মিলিয়ন ডলার।এছাড়া ডলি পার্টনের জনপ্রিয়তা শুধু সংগীতে নয়, মানবিক কাজের জন্যও তিনি প্রশংসিত। শিশুদের জন্য ২০ কোটির বেশি বই বিতরণ করেছেন। কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন উন্নয়নে গবেষণার জন্য তিনি অর্থ অনুদানও দিয়েছেন। সংগীত ও সেবামূলক কাজে সমানভাবে নিবেদিত এই শিল্পীর মোট সম্পদ ৪৫০ মিলিয়ন ডলার।পাশাপাশি,গান, বিনোদন, টেলিভিশন ও সামাজিক সচেতনতায় নিজেকে মেলে ধরেছেন কেটি পেরি।
অ্যালবাম, কনসার্ট আর ব্যবসা থেকে এসেছে তাঁর আয়ের বড় অংশ। পপতারকা কেটি পেরির মোট সম্পদ এখন ৩৫০ মিলিয়ন ডলার।









