
রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনে ভাষণ দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তবে তিনি মঞ্চে ওঠার পরই সেখানে উপস্থিত অনেক রাষ্ট্রপ্রধান এবং তাদের প্রতিনিধিরা বের হয়ে যান।জানা গেছে, প্রথমে তুরস্কের স্থায়ী দূত অধিবেশনকক্ষ থেকে বের হয়ে যান।
এরপর একে একে তার পেছনে অন্যরাও বের হয়ে যেতে থাকেন।এ সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলও সভাস্থল ত্যাগ করে।এরপর ইরান ও আরব অঞ্চলের কয়েকটি দেশ এবং আফ্রিকা অঞ্চলের কয়েকটি দেশের প্রতিনিধিরা সভাস্থল ছেড়ে চলে যান।উল্লেখ্য,যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত নেতানিয়াহুর ভাষণ প্রত্যাখ্যানে বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিল প্যালেস্টাইনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস।এক বিবৃতিতে হামাস বলেছে,নেতানিয়াহু ৪১ হাজার প্যালেস্টাইনিকে হত্যা করেছেন।তার রাষ্ট্রসংঘে ভাষণ নয়, কারাগারে থাকা উচিত।এদিকে সাধারণ পরিষদের সরাসরি প্রচারিত অনুষ্ঠানে দেখা গেছে, নেতানিয়াহু বক্তব্য শুরু করার পর অধিবেশনকক্ষের বেশির ভাগ আসনই খালি পড়ে আছে।অনেক দেশের প্রতিনিধি, ডেলিগেট, কূটনীতিক তখন নেতানিয়াহুকে ধিক্কার জানাতে দর্শক সারি থেকে চিৎকার করতে করতে উঠে পড়েন।একই সময় ইসরায়েলের সমর্থকরা উল্লাস ধ্বনি দিতে থাকেন।দু’ পক্ষের হট্টগোলে অধিবেশন নির্বিঘ্ন করতে হস্তক্ষেপ করেন সভাপতি।এ সময় নিরাপত্তাকর্মীদের দর্শক সারিতে প্রবেশ করতে দেখা যায়। তারা ক্ষুব্ধ কূটনীতিক ও শ্রোতাদের শান্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু তাতেও কাজ হয়নি। অনেকে ওয়াকআউট করে বেরিয়ে যান।অন্যদিকে,রাষ্ট্রসংঘকে অন্ধকারের ঘর বলে মন্তব্য করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। আমেরিকার নিউইয়র্কে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে এই মন্তব্য করেছেন তিনি।নেতানিয়াহু বলেছেন, গত দশকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদে বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বেশি প্রস্তাব পাস হয়েছে। রাষ্ট্রসংঘ হলো অন্ধকারের ঘর।









