
আর জি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদে নবান্ন অভিযানকে কেন্দ্র করে হাওড়া সেতু-সহ পাঁচ জায়গায় অ্যালুমিনিয়ামের গার্ডওয়াল করেছে পুলিশ। যার সঙ্গে থাকবে কাঠের সিজার ব্যারিকেড। হাওড়ার দিকে নবান্নে যাওয়ার পথে চার জায়গায় লোহার ব্যারিকেড তৈরি করা হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের ধাক্কায় যাতে সেগুলি উপড়ে না আসে, তাই রাস্তায় গর্ত খুঁড়ে বড় লোহার পাইপের সঙ্গে ব্যারিকেডগুলি ঝালাই করে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, হাওড়ার সঙ্গে কলকাতার যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ বিদ্যাসাগর সেতুতে যাতে কোনও মিছিল উঠতে না পারে, সে জন্য সেতুতে ওঠার সমস্ত রাস্তায় থাকবে ব্যারিকেড। টার্ফ ভিউ রোড, হেস্টিংস মাজার, ফারলং গেট ও খিদিরপুর রোড থাকছে অ্যালুমিনিয়ামের গার্ডওয়াল। এ ছাড়া, বিভিন্ন জায়গায় প্রতিবাদীদের ঠেকাতে মজুত রাখা হচ্ছে পাঁচটি জলকামান। পাঁচ জায়গায় মোতায়েন থাকবে কলকাতা পুলিশের বিশেষ বাহিনী। নজরদারি চলবে ড্রোনের মাধ্যমেও। এর পাশাপাশি, হাওড়াতেও থাকছে কঠোর পুলিশি বন্দোবস্ত। কোনা এক্সপ্রেসওয়ের সাঁতরাগাছি সেতুর গ্যারাজ মোড়, আন্দুল রোডের লক্ষ্মীনারায়ণতলা, ফোরশোর রোড ও রামকৃষ্ণপুর লঞ্চঘাটমুখী রাস্তার সংযোগস্থল এবং জিটি রোডের বঙ্গবাসী মোড় ও মল্লিকফটকের সংযোগস্থল-এই চার জায়গায় থাকছে লোহার ত্রিস্তরীয় ব্যারিকেড। মোতায়েন করা হচ্ছে দু’হাজারের বেশি পুলিশকর্মী। থাকছেন চার জন এডিজি পদমর্যাদার পুলিশ অফিসার-সহ ১৩ জন ডিআইজি এবং ১৫ জন পুলিশ সুপার পদমর্যাদার আধিকারিক। প্রস্তুত রাখা হচ্ছে চারটি জলকামান। প্রতিটি ব্যারিকেডের সামনে লাগানো হয়েছে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ক্যামেরা। পুলিশ সূত্রের খবর, মিছিলের সম্ভাব্য পথগুলিতে থাকছে আরও ১০০টি অতিরিক্ত ক্যামেরা।









