
গুলির শব্দে চাকা গড়ালো মাহেশে, থমকে গেল গুলির শব্দে। উল্টো রথে দুষ্কৃতী হামলা নয়, এটাই রীতি মাহেশে। অনেক আগে মাহেশে তোপধ্বনির আওয়াজে রথের রশিতে টান পড়ত, আবার তোপধ্বনিতেই থমকে যেত রথের চাকা।
তবে সেই তোপ এখন অতীত। এখন চিরাচরিত নীতি মেনে পুলিশের বন্দুক থেকেই গুলি ছোড়া হয়। সোমবার উল্টোরথে ৯ দিন পর মাসির বাড়ি গুণ্ডিচা থেকে নিজের মন্দিরে ফিরলেন জগন্নাথ, বলরাম, শুভদ্রা। ৬২৮ বছরের প্রাচীন এই রথযাত্রা ঘিরে এবারেও উৎসাহের খামতি ছিল না। রথযাত্রার মতই উল্টো রথে সকাল থেকেই মাহেশে ভক্তসমাগম হয়। অন্যদিকে উল্টোরথে ভান্ডারা লুঠ অন্যতম আকর্ষণ হুগলির গুপ্তিপাড়ায়। জগন্নাথ দেবে পছন্দের খাবার একটি ঘরে রেখে দরজা খুলে দেওয়া হয়। এরপরেই চলে সেই প্রসাদ লুঠের পর্ব। পুরীর মতই উল্টোরথে এরাজ্যেও উৎসাহ কম নেই। মায়ারপুর ইসকনে উল্টোরথ উৎসবে হাজির হয়েছিলেন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। রথের মতই উল্টোরথে দেশবিদেশের প্রচুর ভক্তের সমাগম হয়েছে মায়াপুরে। মহিষাদল রাজবাজি, বেলঘরিয়ার রথতলাতেও উল্টোরথ ঘিরে মানুষের উৎসাহ ছিল যথেষ্ট। রথ দেখার পাশাপাশি মেলাতেও কেনাকাটি হয়েছে দেদার। কথিত আছে গুণ্ডিচা মন্দির মাসির বাড়ি নামে পরিচিত। এই মাসি মায়ের বোন নন। আসলে মসী অপভ্রংশ হয়ে মাসি হয়ে গিয়েছে। শ্রীকৃষ্ণের এক সখীর নাম ছিল পৌর্ণমসী। গুণ্ডিচা আসলে সখী পৌর্ণমসীর কুণ্ড। যা কুণ্ডবাটি নামেও পরিচিত।









