
প্রবল গরমে দিল্লি ও নয়ডায় কমপক্ষে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।অসুস্থ আরও বহু মানুষ।
জানা গিয়েছে, হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছিলেন দিল্লির বাসিন্দারা। দিল্লির রামমনোহর লোহিয়া হাসপাতাল, সফদরজং হাসপাতাল- দুটিতেই একজন করে মারা গিয়েছেন। অন্যদিকে, লোকনায়ক হাসপাতালে তিনজনের মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে। রামমনোহর লোহিয়া হাসপাতালে এখনও ৩৬ জন ভর্তি রয়েছেন। একই ভাবে নয়ডায় গত ২৪ ঘণ্টায় ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।মৃতদের অধিকাংশই হিটস্ট্রোকের পাশাপাশি ইলেকট্রোলাইট ডেফিসিয়েন্সি অর্থাৎ শরীরে ধাতুর অভাবের মতো সমস্যাতেও আক্রান্ত হয়েছিলেন। পাশাপাশি তাদের শরীরের তাপমাত্রা ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইটকেও ছাপিয়ে গিয়েছিল। প্রবল ডিহাইড্রেশনেরও শিকার হয়েছিলেন তাঁরা।শুধুমাত্র দিনের বেলা নয় রাতেও দিল্লির তাপমাত্রা থাকছে খুব বেশি। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ভেঙেছে গত ১২ বছরের রেকর্ড। ২০১২ সালের জুনে গড়ে ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাই ছিল এযাবৎকালের রেকর্ড। সেই রেকর্ড ভেঙে গিয়েছে। বুধবার দিল্লির সর্বনিম্ন তাপমাত্রাই ছিল ৩৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।









