
মার্কিন নির্বাচনের সিজনে অনেক মানুষ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কোম্পানি চ্যাটজিপিটি’র,ডাল-ই ইমেইজ জেনারেটর ব্যবহারের চেষ্টা করেছিলেন। তবে, কোম্পানির দাবি, ডিপফেক তৈরিতে এআই মডেলটির ব্যবহার ঠেকানো গেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত ডোনাল্ড ট্রাম্প, পরাজিত প্রার্থী কমলা হ্যারিস, ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত জেডি ভ্যান্স ও গভর্নর টিম ওয়ালজের ছবি তৈরির জন্য আড়াইলাখের বেশি অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে বলে কোম্পানির নতুন এক রিপোর্টে বলেছে এআই মডেলটির মালিক কোম্পানি ওপেনএআই।উল্লেখ্য ওপেনএআই আগে থেকেই একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রয়োগ করেছে এবং এতে রাজনীতিবিদসহ প্রকৃত মানুষের ছবি তৈরির ফিচার বন্ধ রেখেছিল তারা।খবর ওপেনএআই বছরের শুরু থেকেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছিল।এরই ধারাবাহিকতায়, তারা এআই টুলগুলোকে ভুল তথ্য ছড়ানোয় বাধা দিতে নির্দিষ্ট কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে।পাশাপাশি, চ্যাটজিপিটিকে মার্কিন নির্বাচন সম্পর্কে কিছু জিজ্ঞেস করা হলে সেটি ইউজারদের,ক্যানআইভোট ডট অর্গ ওয়েবসাইটে পাঠিয়েছে। কোম্পানির তথ্য অনুসারে, নির্বাচনের আগের এক মাসে অন্তত ১০ লাখ ইউজারকে এ ওয়েবসাইটে পাঠানো হয়েছে।নির্বাচনের দিন এবং এর পরের দিনও ২০ লাখ প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে চ্যাটবটটি। তবে, ডাল-ই একমাত্র এআই ইমেইজ জেনারেটর নয়। আর নির্বাচনকে ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক ডিপফেইক ছড়িয়ে রয়েছে।
এরকমই এক ডিপফেইক ভিডিওতে কমলা হ্যারিসের নির্বাচনের প্রচার পরিবর্তন করা হয়েছে।ভিডিওতে হ্যারিসের কথা বদলে এমন কিছু কথা জুড়ে দেওয়া হয়েছে যা তিনি আসলে বলেননি।









