
অট্টালিকা থাকা সত্ত্বেও বাংলা আবাস যোজনা’র প্রথম কিস্তির টাকা আকাউন্টে ঢুকতেই শুরু হয়েছে বাড়ির কাজ। ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুরে।
এরপরই সরব হয়েছেন এলাকার মানুষজন থেকে শুরু করে প্রতিবেশীরা। জানা গিয়েছে, ওই গ্রামের বাসিন্দা রবীন্দ্রনাথ দাস-র নাম রয়েছে বাংলা আবাস যোজনার তালিকায়। প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকাও ঢুকেছে আকাউন্টে। আর টাকা ঢুকতেই শুরু করেছেন বাড়ি। আর এই নিয়েই সরব হয়েছে এলাকার মানুষজন। এলাকার মানুষজনের দাবি রবীন্দ্র দাসের দু’তলা পাকার বাড়ি থাকা সত্ত্বেও প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা তিনি পেয়েছেন যা দিয়ে বর্তমানে তিনি বাড়ি তৈরির কাজ শুরু করেছেন। এই বাড়ি প্রসঙ্গে রবীন্দ্র দাস কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন ওই দুই তলা পাকা বাড়িটি তাঁর ছেলে মানিক দাসের, তার সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই।
যদিও এই বিষয়ে রবীন্দ্র দাসের ভাই শম্ভু দাস বলেন রবীন্দ্র দাসের সঙ্গে তার ছেলের কিছুই গন্ডগোল নেই , রবীন্দ্র পাকা বাড়িতে থাকে। এই বিষয়ে সরবেড়িয় ২ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সোমা দোলুই বলেছেন, অফিসারেরা সার্ভে করেছেন ওনাদের সার্ভে অনুযায়ী হয়েছে।









