
বেন অ্যাফ্লেক ও জেনিফার লোপেজ-দের জীবনের গল্প সিনেমার চিত্রনাট্যের মতোই। তুমুল প্রেম, বাগ্দানের পর সবাই যখন বিয়ের অপেক্ষায়, তখন হঠাৎই আসে বিচ্ছেদের ঘোষণা। এরপর দীর্ঘ সময় গড়িয়েছে, দুজনই ভিন্ন সম্পর্কে থিতু হয়েছেন।
তবে নিয়তি বোধ হয় চেয়েছিল তাঁদের পুনর্মিলন, শেষ পর্যন্ত সেটাও হয়। কিন্তু দু’ বছর গড়াতেই সম্পর্ক ভাঙে, সম্পর্কের দ্বিতীয় সুযোগও কাজে লাগাতে পারেননি হলিউডের তারকা দম্পতি বেন অ্যাফ্লেক ও জেনিফার লোপেজ। বিচ্ছেদের পর বছর পার হয়েছে কিন্তু এ বিষয়ে দুই তারকার কেউই তেমন কথা বলেননি। এবার বিচ্ছেদ নিয়ে প্রথমবার সবিস্তার কথা বলেছেন জেনিফার লোপেজ। অনুষ্ঠানে লোপেজ বলেছেন, বেনের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর পর তাঁর উপলব্ধি ছিল, এটা তাঁর জীবনের ঘটে যাওয়া সেরা ঘটনা। বিচ্ছেদকে সেরা ঘটনা বলার পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করে এই গায়িকা-অভিনেত্রী বলেছেন, এটা তাঁকে বদলে দিয়েছে। এটা তাঁকে এমনভাবে বেড়ে উঠতে সাহায্য করেছে, যেটা তাঁর জন্য দরকার ছিল।উল্লেখ্য ২০২৪ সালের আগস্টে লোপেজ বিচ্ছেদের আবেদন করেন,চূড়ান্ত হয় ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে।ডিভোর্সের সময়ে লোপেজ শুটিং করছিলেন নতুন ছবি,কিস অব দ্য স্পাইডার ওমেন-এর। এ সিনেমায় তাঁর সঙ্গে আরও অভিনয় করেছেন দিয়েগো লুনা ও টোনাটিউ। এটি ১৯৯৩ সালের ব্রডওয়ে মিউজিক্যাল থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নির্মিত হয়েছে সিনেমাটি, যা মানুয়েল পুইগের ১৯৭৬ সালের উপন্যাসের ওপর ভিত্তি করে তৈরি।এই গল্প আগেও ১৯৮৫ সালে সিনেমার পর্দায় এসেছে,যেখানে অভিনয় করেছিলেন উইলিয়াম হার্ট, রাউল জুলিয়া ও সোনিয়া ব্রাগা। নতুন ভার্শনে জেনিফার লোপেজ প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন, যা তাঁর প্রথম মিউজিক্যাল সিনেমাও বটে। লোপেজ এই ছবিকে নিজের জীবনের একটি স্বপ্নের প্রকল্প বলে উল্লেখ করেছেন।
চলতি বছরের শুরুতে সানড্যান্স চলচ্চিত্র উৎসবে সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সারা জীবন এই মুহূর্তের অপেক্ষায় ছিলেন। তিনি মিউজিক্যাল দেখে বড় হয়েছেন। তাঁর মা মিউজিক্যাল ভালোবাসতেন। তাই তিনি সব মিউজিক্যালই দেখেছেন। তাঁর মা, গান ও নাচের ভীষণ পাগল ছিলেন, আমিও তাই। ছবিটি জেনিফার লোপেজ-র মা,গুয়াদালুপে রদ্রিগেজের প্রতিও একধরনের শ্রদ্ধার্ঘ্য।









