
রাষ্ট্রসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে গোপনে সাক্ষাৎ করেছেন আমেরিকার নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ইলন মাস্ক। তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা উত্তেজনা নিরসনের চেষ্টায় এ সাক্ষাৎ হতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
এদিকে,নির্বাচনে জয়ের পর ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফ্লোরিডার বাড়ি মার-এ-লাগোতে টেক জায়ান্ট ইলন মাস্কের যাতায়াত বেড়েছে। এ নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় গুঞ্জন উঠেছে প্রযুক্তি ক্ষেত্রের ধনকুবের ক্রমেই আমেরিকার ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছেন। অন্যদিকে নিজের বাড়িতে মাস্কের নিয়মিত উপস্থিতি নিয়ে রসিকতা করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। নির্বাচনে জয়ের পর ফ্লোরিডার পাম বিচে আমেরিকা ফার্স্ট পলিসি ইনস্টিটিউট গালায় ভাষণে ট্রাম্প প্রযুক্তি বিলিয়নিয়ারকে নিয়ে রসিকতায় মেতে উঠেছেন। মাস্ককে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেছেন,ইলন, কী কাজ, কী কাজ? বাড়ি যাবেন না। ইলন এই জায়গাটি পছন্দ করে। তাকে এখান থেকে বের করতে পারব না, বলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্পের নাতনি কাই ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায়,মাস্ক ও তার সন্তানের সঙ্গে ছবি প্রকাশ করেছে লিখেছে, আঙ্কেল সমতুল্য ইলন। এর মধ্যে ট্রাম্পের পক্ষে সরকারের দক্ষতার দিকে নজর দেওয়া মাস্ক প্রেসিডেন্ট-নির্বাচিত হওয়ার পরপরই মঞ্চে উঠেছিলেন। উপস্থিত সকলকে মাস্ক বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যেমন বলেছেন, আমাদের যা প্রয়োজন তা হলো সাধারণ জ্ঞান।
এটা আগের মতো ব্যবসা হবে না। এটা একটা বিপ্লব হতে যাচ্ছে। অন্যদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে ট্রাম্পের আলোচনাসহ বিশ্ব নেতাদের সঙ্গেও আলোচনায় বসেছেন ধনকুবের ইলন মাস্ক।









