
ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২৫ সালের ২০শে জানুয়ারি আমেরিকার নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করবেন। সেদিন থেকেই প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে। রীতি অনুযায়ী, ওয়াশিংটন ডিসির ক্যাপিটল ভবনে নতুন প্রেসিডেন্টের অভিষেক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।
আর,জানুয়ারি মাসে দায়িত্ব গ্রহণের পর ট্রাম্পের প্রথম কাজ হবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করা। নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফ্লোরিডায় আমেরিকা ফার্স্ট পলিসি ইন্সটিটিউট-এর অনুষ্ঠানে নিজেই এ কথা জানিয়েছেন। এই পলিসি ইন্সটিটিউট, দ্বিতীয় ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য একাধিক রক্ষণশীল নীতির প্রস্তাবনা তৈরি করেছে।এটি ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিজেরই সংস্থা। ২০২১ সালে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তাদের হাত ধরেই প্রতিষ্ঠিত হয় ওই সংস্থাটি। অন্যদিকে,নির্বাচনের পর এটিই ট্রাম্পের জনসম্মুখে দেওয়া প্রথম দীর্ঘ বক্তব্য। সেখানে ট্রাম্প বারবার বলেছেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি অবিলম্বে ওই যুদ্ধ বন্ধ করবেন।যদিও সেটা কীভাবে করবেন সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু বলেননি। এরপর তিনি তার সমর্থকদের জানান, তার অন্যান্য অগ্রাধিকার হবে মধ্যপ্রাচ্য এবং দুর্নীতিগ্রস্ত, ভঙ্গুর, ব্যর্থ প্রশাসনকে পরিষ্কার করা। তবে এই পরিকল্পনাগুলো সম্পর্কেও তিনি বিস্তারিত বিবরণ না দিয়ে মঞ্চ ত্যাগ করেন। এদিকে খবর,ইউক্রেনে যুদ্ধ অবসানের জন্য ইউক্রেনবিষয়ক বিশেষ দূত নিয়োগ করার পরিকল্পনা করেছেন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে ইউক্রেন যুদ্ধের সমাপ্তি নিয়ে আলোচনা শুরু করার জন্য রাশিয়া তৈরি।
তবে যেকোনো আলোচনা রাশিয়ার সামরিক অগ্রগতির বাস্তবতাকে ভিত্তি করে হতে হবে। এমনটাই জানিয়েছেন জেনেভায় রাষ্ট্রসংঘে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত গেনাডি গ্যাটিলভ।









