
আর জি করের সপ্তম শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টে অন্তর্বর্তী রিপোর্ট জমা দিয়েছে জাতীয় টাস্ক ফোর্স। ওই রিপোর্ট সব রাজ্যের মুখ্য সচিবকে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।
মুখ্যসচিবেরা ওই রিপোর্ট দেখে কোনও পরামর্শ থাকলে দিতে পারবেন। তারা স্টেক হোল্ডার-দের থেকে পরামর্শ নিতে পারবেন। রিপোর্টে দু’টি বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছে জাতীয় টাস্ক ফোর্স। এক, যৌন হেনস্থা রোখা এবং দুই, শারীরিক হেনস্থা বন্ধের বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছে তারা। টাস্ক ফোর্স এ-ও পরামর্শ দিয়েছে যে, এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে হবে মেডিক্যাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে নিতে হবে।আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে গোটা প্রক্রিয়া নিষ্পত্তি করতে বলা হয়। কী ভাবে একটি স্বাধীন নজরদারি ব্যবস্থা ভারত জুড়ে প্রয়োগ করা যায়, তা নিয়ে মতামতও চান প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়। আদালতে রাজ্যের তরফে উপস্থিত ছিলেন কপিল সিবল। তিনি দ্রুত তদন্ত এবং দোষীদের চিহ্নিত করে দ্রুত শাস্তির ব্য়বস্থা করার আর্জি জানান। আদালতে দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস-এর চিকিৎসকদের আইনজীবী তদন্তপ্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
৯০ দিন ধরে তদন্ত চলছে, কিন্তু কিছু হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি। এর পাল্টা প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড় বলেন, নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার পর্যাপ্ত ক্ষমতা রয়েছে নিম্ন আদালতের। যদি তথ্যপ্রমাণ দেখে তাঁদের মনে হয়, তেমন নির্দেশ দিতে পারেন তাঁরা।
ছবি সৌজন্যে : সুপ্রিম কোর্ট









