
ট্রাইব্যুনালে আবেদন করলেই ভোটদানের সুযোগ করে দেওয়ার প্রশ্ন নেই। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এমন কোনও পরিস্থিতি তৈরি করা সম্ভব নয় যাতে আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারপতিদের ওপর বাড়তি চাপের সৃষ্টি হয়।
রাজ্যের কয়েক লক্ষ ভোটারের ভোটাধিকার শুনানির শুরুতে তৃণমূল সাংসদ তথা বর্ষীয়ান আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সওয়াল করেন যে, ইতিমধ্যে প্রায় ১৬ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছে। রঘুনাথগঞ্জ-সহ বিভিন্ন এলাকায় প্রকাশিত তালিকায় বহু ভোটারের নাম এখনও বিচারাধীন বা আন্ডার অ্যাডজুডিশন হিসেবে রয়েছে।তিনি আর্জি জানান, ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোটের আগে যত দ্রুত সম্ভব এই মামলাগুলির শুনানি শেষ করে তাঁদের ভোটদানের সুযোগ দেওয়া হোক। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই সওয়ালের প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেছেন, আবেদন করলেই ভোট দেওয়ার সুযোগ দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। যদি এর অনুমতি দেওয়া হয়, তবে যাঁদের নাম বর্তমানে ভোটার তালিকায় রয়েছে, তাঁদের ভোটাধিকারও স্থগিত করতে হবে।একইসঙ্গে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীও এই প্রসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন। তিনি মনে করিয়ে দেন, ৯ এপ্রিল বা তার ঠিক পরেই যদি কোনও আপিলের নিষ্পত্তি হয়,তবেই সেই ব্যক্তিদের নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ থাকে,যা আগেই পরিষ্কার করা হয়েছে। অন্যদিকে,পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষে সওয়াল করতে গিয়ে আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান দাবি করেছেন, যাঁদের নাম বিচারাধীন তালিকায় রয়েছে, তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় ভোট দেওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত।
উভয়পক্ষের দীর্ঘ সওয়াল-জবাব শোনার পর বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী জানান, আদালতকে এই বিষয়ে ভাবার জন্য কিছুটা সময় দিতে হবে। তিনি বলেছেন, দু’ পক্ষের যুক্তিই মাথায় রাখতে হবে।









