
কেন্দ্র চাইলে বেলডাঙায় অশান্তির ঘটনায় এনআইএ-কে দিয়ে তদন্ত করাতে পারে। বেলডাঙাকাণ্ডে হাইকোর্টে দায়ের করা জোড়া মামলায় এমনই নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের বেঞ্চ।
প্রয়োজনে কেন্দ্রের কাছ থেকে আরও বাহিনী চাইতে পারে রাজ্য। তাতে বাধা নেই। বেলডাঙায় যাতে কারও জীবন, মর্যাদা, সম্পত্তি বিপন্ন না হয়, তার দায়িত্ব মুর্শিদাবাদ পুলিশ সুপার এবং জেলাশাসকের। মুর্শিদাবাদে ইতিমধ্যেই মোতায়েন বাহিনীকে ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। রাজ্য সরকারকে এব্যাপারে ১৫ দিনের মধ্যে হলফনামা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। ঝাড়খণ্ডে পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হিংসা ছড়ায় বেলডাঙায়। অবরোধ, বিক্ষোভ, ভাঙচুর, আগুন, সাংবাদিকদের মারধরের অভিযোগ ওঠে। শুক্র এবং শনিবার কার্যত ২ দিন দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বেলডাঙা। এরপর পুলিশের বলপ্রয়োগে ৩০ ঘণ্টা পর অবরোধ বিক্ষোভ ওঠে। ৩০ জনেরও বেশি গ্রেফতার করা হয়।
মূল অভিযুক্ত হিসেবে গ্রেফতার করা হয় মিমের এক সদস্যকেও। এই ঘটনায় হাইকোর্টে একাধিক জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। মামলা করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার সব মামলার একসঙ্গে শুনানি হয় হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে।









