
মাস কয়েক আগেও তাঁকে সেভাবে কেউ চিনত না। কিন্তু অস্কার–দৌড়ে সেই জেসি বাকলির নামই এখন শোনা যাচ্ছে বেশি।
গোল্ডেন গ্লোবে ড্রামা বিভাগে সেরা অভিনেত্রী হওয়ার পর অনেক সমালোচকের ধারণা, অস্কারও ৩৬ বছর বয়সী এই অভিনেত্রীর হাতেই উঠবে। জেসি এখন আলোচনায় ক্লোয়ি ঝাওয়ের সিনেমা হ্যামনেট দিয়ে, যেখানে উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি।উল্লেখ্য,দু’ দশকের বেশি সময় ধরে সিনেমা ও মঞ্চে কাজ করছেন জেসি। কেবল অভিনয় নয়, গানেও তিনি দক্ষ। ২০০১ সালে প্রায় ৪০ হাজার প্রতিযোগীর মধ্যে থেকে রয়্যাল আইরিশ একাডেমি অব মিউজিকের ‘হাই অ্যাচিভার’ অ্যাওয়ার্ড পান। ১৭ বছর বয়সে আই উড ডু এনিথিং প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে তিনি পরিচিতি পান।এরপর ভর্তি হন লন্ডনের রয়্যাল একাডেমি অব ড্রামাটিক আর্টে। অভিনয়ে স্নাতক শেষ করে যুক্ত হন টিভি সিরিজে। ট্যাবু, ফার্গো, চেরনোবিল-এর মতো সিরিজে তাঁকে দেখা গেছে, মঞ্চে জুড লর সঙ্গে করেছেন নাটক,হেনরি ফাইভ। ২০২২ সালে জেসি দ্য লস্ট ডটার সিনেমার জন্য অস্কারে মনোনীত হয়েছিলেন। তখন অবশ্য এখনকার মতো বিশ্ব তারকা হয়ে ওঠেননি।অনেক সমালোচক বলেছেন, হ্যামনেট ছবিতে জেসি বাকলি শোককে এমনভাবে দেখান, যা সম্ভবত আগে কখনো পর্দায় দেখা যায়নি।তিনি সত্যিই নিজেকে উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের স্ত্রী অ্যাগনেস হ্যাথাওয়ের চরিত্রে বিলীন করেছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, গান আর অভিনয়ের মধ্যে বড় হয়েছেন। কৈশোর থেকে শিল্পচর্চার মধ্যে থাকায় অবচেতনভাবেই চরিত্রের চাহিদা বুঝতে পারেন। এই সিনেমা সন্তান হারানোর শোক নিয়ে। শুটিং শুরুর আগে কীভাবে চরিত্র হয়ে ওঠার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গেছেন,এটা অনেকেই জানতে চান।
উল্লেখ্য ফ্রান্সেস ম্যাকডোরমান্ড, ক্যাথরিন হেপবার্ন, বেটি ডেভিস, বারবারা স্ট্যানউইক, লরা ডার্নের মতো অভিনেত্রীরা জেসিকে প্রভাবিত করেন। অস্কারের চূড়ান্ত মনোনয়ন এখনো ঘোষিত হয়নি। অনেকে ধারণা করছেন, এবার সেরা অভিনেত্রী হতে জেসিকে লড়তে হবে চেজ ইনফিনিটি, রেনাতে রেইনসভে, এমা স্টোনের সঙ্গে







