
গাজিয়াবাদে চার বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও খুনের মামলায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। শিশুকে ধর্ষণ ও খুনের মামলায় প্রশাসনের উদাসীনতা ও সংবেদনহীনতা নিয়ে সরব দেশের সর্বোচ্চ আদালত।পুলিশ কমিশনার ও তদন্তকারী আধিকারিককে সমস্ত নথি-সহ হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি ও বিপুল এম পঞ্চোলির বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। নিহত শিশুর বাবার হয়ে সওয়াল করা আইনজীবীর বক্তব্য শুনে তদন্তের ধরন নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে আদালত। অভিযোগ, চকোলেট দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতিবেশী এক ব্যক্তি শিশুটিকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। কয়েক ঘণ্টা পর মেয়েকে না পেয়ে খোঁজ শুরু করেন বাবা। পরে বাড়ির কাছেই রক্তাক্ত ও অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় তাকে। প্রথমে দুই বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও ভর্তি নেওয়া হয়নি। পরে জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।
আদালতের পর্যবেক্ষণ, ঘটনাটির সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হল বেসরকারি হাসপাতাল ও স্থানীয় পুলিশের চরম উদাসীনতা। পরিবার জানায়, থানায় গোটা বিষয়টি জানাতে গেলে উল্টে তাঁদের মারধর করা হয়। পরদিন ১৭ মার্চ মামলা দায়ের হয় এবং ১৮ মার্চ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে প্রথম রিপোর্টে শিশু সুরক্ষা আইনের ধারা বা ধর্ষণের ধারা উল্লেখ ছিল না।বিচারপতিরা জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলের প্রাথমিক নথিতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের ঘাটতি রয়েছে। শিশুটির শরীরে গুরুতর আঘাতের উল্লেখ থাকলেও যৌন নির্যাতনের বিষয়টি স্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধই হয়নি। অভিযোগ, ময়নাতদন্তেও সেই নির্মম নির্যাতনের পূর্ণ বিবরণ নেই।









