
শান্তি বৈঠকে যোগ দিতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে রাশিয়ায় যাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। একই সঙ্গে পশ্চিমি দেশগুলিকে সতর্ক করে তাঁর বার্তা, যুদ্ধরত ইউক্রেনে কেউ যদি সেনা পাঠায়, তবে তারাও রুশ সেনাবাহিনীর নিশানায় থাকবে। প্রেসিডেন্ট পুতিনের মতে, শান্তিচুক্তিতে বিদেশি উপস্থিতির কোনও যুক্তি নেই।
ইউক্রেন যুদ্ধে বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপ যে তিনি ভাল ভাবে নিচ্ছেন না, তা-ও স্পষ্ট করেছেন প্রেসিডেন্ট পুতিন। ব্লাডিভস্তকে অনুষ্ঠিত ইকনমিক ফোরাম-এ তিনি বলেছেন, ইউক্রেনে যদি অন্য কোনও দেশের সেনা থাকে, বিশেষত এই পরিস্থিতিতে, তবে রাশিয়া রেয়াত করবে না। ইউক্রেনে বিদেশি সেনাও তাঁদের বৈধ লক্ষ্যবস্তু। তার পরেই শান্তি আলোচনা প্রসঙ্গে প্রেসিডেন্ট পুতিনের মত, যদি বিষয়টি দীর্ঘমেয়াদি শান্তি আলোচনার দিকে এগিয়ে যায়, তবে ইউক্রেনের মাটিতে বিদেশি শক্তি উপস্থিতির কোনও অর্থ নেই।
ইউক্রেনের উপর হামলার কারণে আমেরিকা-সহ বেশ কয়েকটি দেশ রাশিয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। ইউক্রেনের সমর্থনে এগিয়ে আসে ইউরোপের দেশগুলি। এমনকি, যুদ্ধে ইউক্রেনকে সাহায্যের আশ্বাসও দেয় তারা। অন্য দিকে, যুদ্ধ থামানোর লক্ষ্যে অনেক দেশই এগিয়ে এসেছে। তবে এখনও পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে কোনও রফাসূত্র বার হয়নি। থামেনি যুদ্ধও।









