
বাইরে ১৫-২০ কোটিরও বেশি দেনা ছিল ট্যাংরার দে পরিবারের। তারপরেও বেলাগাম জীবনযাপনে ছেদ পড়েনি তদন্তে এমনই তথ্য পেয়েছেন তদন্তকারী অফিসরা।
পারিপার্শ্বিক বয়ান থেকে জানা গিয়েছে বিপুল অন্তত ৬ টি ব্যাঙ্ক এবং অন্যান্য সংস্থা থেকে বিপুল পরিমাণ ঋণ নিয়েছিলেন দুই ভাই। এরইমধ্যে রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ দুই ভাইয়ের ব্যবসায় প্রভাব ফেলতে শুরু করে। আর এই বিপুল দেনা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছিলেন দুই ভাই। তা সত্ত্বেও ঋণের টাকাতেই ২ বছর অন্তর গাড়ি বদল, বিদেশভ্রমণ করেছেন। ব্যবসায় লাভের থেকে বিলাসিতায় বেশি টাকা বেরিয়ে যাচ্ছিল দে পরিবারের। দেনার দায়ে দুই ভাই প্রণয় এবং প্রসূন দে বসত বাড়িটিও ব্যাঙ্কের কাছে বন্ধক রেখেছিলেন দে পরিবার। এমনকি যে কারখানা ভাড়ায় নিয়েছিলেন, তাও মেটাতে পারছিলেন না বলে খবর। আরও জানা গিয়েছে ১৭ তারিখ সোমবার সপরিবারে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিল দে পরিবার। ১৮ তারিখ পাওয়াদারদের আসতে বলেছিলেন।
যাতে পাওনাদাররা জানতে পারেন সপরিবারে মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু সেই প্ল্যান পুরোটা বাস্তবায়িত হয়নি।









