গ্রাম থেকে শহর
News & Much More

33 C
Kolkata
33 C
Kolkata
More
    Home Entertainment ১৫ হাজার কোটির ‘মসনদে’ সইফ

    ১৫ হাজার কোটির ‘মসনদে’ সইফ

    0
    57
    ছবি  সৌজন্যে : রিপ্রেসেন্টেশনাল 

    দীর্ঘ আড়াই দশকের আইনি যুদ্ধে ১৫ হাজার কোটির বিতর্কিত সম্পত্তি নিয়ে চলা মামলায় বড় জয় পেলেন পতৌদির অন্তিম নবাব সইফ আলি খান। প্রতিপক্ষের দাবি খারিজ করে শর্মিলা ঠাকুর এবং তাঁর তিন সন্তান-সহ ভোপালের প্রাক্তন রাজপরিবারের অন্যান্য আইনি উত্তরাধিকারীদের পক্ষে রায় দিয়েছে আদালত।

    ভোপালের জেলা আদালতের তরফে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, নবাবদের ১৬.৬২ একরের স্থাবর সম্পত্তি আর বেহাত হচ্ছে না।উল্লেখ্য, নয়া পুরা এলাকার এই বিপুল পরিমাণ জমি ঘিরে আইনি বিতর্কের সূত্রপাত ১৯৯৮ সালে। সেসময়ে আকিল আহমেদ ও তাঁর সাগরেদরা আদালতে মামলা দায়ের করে দাবি করেছিলেন, ১৯৩৬ সালে ভোপালের তৎকালীন রাজপরিবারের সদস্য নবাব হামিদুল্লাহ খান নাকি তাঁদের পূর্বপুরুষদের ওই জমিটি উপহার দিয়েছিলেন। সেই সূত্র ধরেই নিজেদের জমির উত্তরাধিকার হিসেবে দাবি করে কোর্টে মামলা দায়ের করেন তাঁরা। যদিও পঁচিশ বছরের দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ে তাঁদের দাবি ধোপে টেকেনি আদালতে। বরং মামলার পর্যবেক্ষণ করে পালটা কোর্টে ভর্ৎসনার মুখে পড়েছেন সইফের প্রতিপক্ষরা। বিচারকরা জানান, মামলাকারীরা কোনও গ্রহণযোগ্য দলিল, নথিপত্র বা শক্ত প্রমাণ পেশ করতে পারেননি। শুধু তাই নয়, গত ষাট বছরের ব্যবধান পেরিয়ে এহেন মামলা দায়েরের বিষয়টিকেও গুরুতর দেরি বলে বিবেচনা করেছেন বিচারকরা। ফলে গোটা মামলাটিই খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। যার ফলে ১৫ হাজার কোটির মসনদে থাকছেন সইফ আলি খানই।অন্যদিকে ২০২৫ সালে জানা যায়, ২০১৫ সালেই মুম্বইয়ে অবস্থিত শত্রু সম্পত্তি সংক্রান্ত দপ্তরের তরফে ঘোষণা করা হয় ভোপালের নবাবের জমি সরকারি সম্পত্তি।

    এরপরই পতৌদি পরিবার আইনের দ্বারস্থ হয়। দাবি করে, ভোপাল ও রাইসেনে অবস্থিত ফ্ল্যাগ স্টাফ হাউস, আহমেদাবাদ প্যালেস থেকে রাইসেনের কোঠি ও কোঠি সংলগ্ন জঙ্গল ইত্যাদি সবই তাদের সম্পত্তি। কিন্তু এবার শত্রু সম্পত্তি আইনে সবই হাতছাড়া হতে পারে তাদের।