
নয়াদিল্লির স্টেশনের ১৪ এবং ১৫ প্লাটফর্মের চারিদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে জুতো, ব্যাগ, জামাকাপড় থেকে চশমা। শনিবার রাতে দুর্ঘটনার যে বীভৎস চেহারা ফুটে উঠেছে, তাতে শুধু ভয়াবহতা আর হাহাকার। কেউ স্বজন হারিয়ে কাঁদছেন, কারও চোখেমুখে প্রিয়জনকে হারিয়ে শুধুই নিস্তব্ধতা। কেউ স্বজনের খোঁজ চালিয়ে যাচ্ছেন। কেউ আবার স্বজনের খোঁজে হাসপাতালে ছুটছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কয়েক হাজার যাত্রী জড়ো হয়েছিলেন স্টেশনে। ট্রেনের জন্য যাত্রীদের একাংশ অপেক্ষা করছিলেন প্ল্যাটফর্মে। আবার বেশির ভাগই দাঁড়িয়ে ছিলেন ওভারব্রিজে। তার মধ্যেই ঠেলাঠেলি চলছিল। প্ল্যাটফর্মগুলিতে তিল ধারণের জায়গা ছিল না। একই অবস্থা ছিল ওভারব্রিজেও। কেউ মাথায় ব্যাগ নিয়ে, কেউ কাঁধে সন্তানকে চাপিয়ে, ভিড় ঠেলে এগোনোর চেষ্টা করছিলেন।
কেউ গোটা পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে, কেউ আবার একা, কেউ আবার বন্ধুদের নিয়ে কুম্ভের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। কিন্তু নিমেষের মধ্যে সবটা বিভীষিকায় পরিণত হয়েছে। কুম্ভে যাওয়ার পথে কারওর ঠাঁই হয়েছে হাসপাতালের বিছানায়, আবার কারওর বা মর্গে।






