
চূড়ান্ত তালিকায় ৬০ লাখেরও বেশি নাম বিবেচনাধীন। বাদ পড়েছে ৬৩ লাখ ভোটারের নাম। এই পরিস্থিতিতে বৈধ ভোটারের নাম বাদ রেখে ভোট হবে না রাজ্যে। এই দাবিতে সিইও দফতর অভিযান করল বামেরা।
বিমান বসু, মহম্মদ সেলিম, সুজন চক্রবর্তীদের মিছিল সিইও দফতরের সামনে যেতেই আটকে দেয় পুলিশ। এরপরেই অবস্থান শুরু করেন বাম কর্মীরা। সেখান থেকেই সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলেছেন সংবিধানে জনপ্রতিনিধি আইনে কোথাও লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি বলে কিছু নেই। ফলে এটা পুরোটাই ইলজিক্যাল। কেন নাম বাদ দেওয়া হয়েছে ভোটার লিস্টের নামের পাশে কারণ জানাতে হবে কমিশনকে। রাজ্য সরকারের অফিসাররা এইআরওদের হুমকি দিয়ে আপলোড করতে বাধা দিয়েছে।
আর সেই সুযোগে নির্বাচন কমিশন নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা করছে। তাই পুরো প্রক্রিয়াটার জন্য কেন্দ্র-রাজ্য উভয়েই দায়ি বলে আক্রমণ করেছেন মহম্মদ সেলিম। সিইও-র বিরুদ্ধে কিম্ভুতকিমাকার আচরণের অভিযোগ করেছেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু।









