
আরও অন্তত ৩০ থেকে ৪০ বছর বাঁচার ইচ্ছা রয়েছে। ৯০ তম জন্মদিনের প্রাক্কালে এমনটাই মন্তব্য করেছেন তিব্বতের নির্বাসিত ধর্মগুরু দলাই লামা। তাঁর অনুগামীদের আয়োজনে দীর্ঘজীবন প্রার্থনা সভা’য় তিনি জানিয়েছেন, তিনি চান আরও বহু বছর বাঁচতে। অন্তত ১৩০ বছর অবধি। এই মন্তব্য যতটা আবেগঘন, তার চেয়েও বেশি তা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।
কারণ, গত কয়েক মাস ধরেই জোর চর্চা চলছে কে হবেন পরবর্তী দলাই লামা? চিন বলছে, তাঁদের অনুমতি ছাড়া কোনও পুনর্জন্ম স্বীকৃতি পাবে না। অথচ দলাই লামা নিজেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তাঁর পরবর্তী জন্ম নির্ধারণের অধিকার একমাত্র গ্যাডেন ফোডরাং ট্রাস্টের।
১৯৫৯ সালে চিনা আগ্রাসনের সময় তিব্বত ছেড়ে ভারতের ধর্মশালায় এসে আশ্রয় নেন দলাই লামা। সেখানে গড়ে তোলেন নির্বাসিত তিব্বত সরকারের সদর দফতর। তারপর থেকেই, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে তিব্বতের পক্ষে জনমত তৈরি করেছেন তিনি। কিন্তু বেজিং সরকারের চোখে তিনি বিচ্ছিন্নতাবাদী।









