
পশ্চিম এশিয়ার সামরিক সংঘাতের জেরে ইউরোপ এবং আমেরিকাগামী জাহাজগুলিকে ঘুরপথে যেতে হওয়ায় পণ্যবাহী জাহাজগুলির ভাড়া ৬০-৮০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আর তার জেরে কোনও কোনও রফতানিকারকের বাণিজ্য ৫০ শতাংশ পড়ে গিয়েছে।
কলকাতা বন্দরে আটকে শয়ে শয়ে কন্টেনার, এমনই দাবি করেছে এই বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত প্রতিনিধিরা।ক্যালকাটা কাস্টমস হাউস এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন,সিসিএইচএএ –এর সভাপতি মন্নু চৌধরি সংবাদসংস্থাকে জানিয়েছেন, আফ্রিকা হয়ে যেতে হচ্ছে পণ্যবাহী জাহাজগুলিকে।তার জেরে পণ্যের ভাড়া ৪০ শতাংশ বেড়েছে। অতিরিক্ত ভাড়া চাপাচ্ছে পরিবহণ সংস্থাগুলি।ফলে ইউরোপ এবং আমেরিকায় যেতে সব মিলিয়ে সেই ভাড়া বেড়ে ৭০-৮০ শতাংশে পৌঁছোচ্ছে।শুধু ভাড়া বৃদ্ধিই নয়, রফতানিতে অন্যতম বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে অপর্যাপ্ত কন্টেনার। এমনই অভিযোগ রফতানিকারকদের। সিসিএইচএএ –এর সভাপতি মন্নু চৌধরি বলেছেন,রফতানিকারকদের কাছে পরিবহণ সংস্থাগুলি ভাড়া সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য দিচ্ছে না।
নতুন কোনও কন্টেনারের বুকিংও নিতে চাইছে না তারা।এলিপিজি-র অপ্রতুলতাও আরও একটা মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক শিল্পে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। ফলে আগে যে পরিমাণ রফতানি হত, এই সামগ্রিক পরিস্থিতির কারণে তাতেও প্রভাব পড়েছে।সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হচ্ছে বস্ত্রশিল্প, ইঞ্জিনিয়ারিং দ্রব্য উৎপাদনকারী শিল্প। তবে এই পরিস্থিতিকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকারও।









