
ঋণখেলাপি মামলায় পলাতক হিরে ব্যবসায়ী মেহুল চোকসীকে দেশে ফেরাতে চাইছে ভারত। দু দিন আগে,শনিবার বেলজিয়ামে গ্রেফতার হয়েছেন তিনি।
বেলজিয়ামের বিচার মন্ত্রক নিশ্চিত করেছে, ঋণখেলাপি মামলায় অভিযুক্ত এবং ভারত থেকে পলাতক হিরে ব্যবসায়ী মেহুল চোকসীকে তারাই গ্রেফতার করেছে। ভারতের তরফে প্রত্যর্পণের আবেদনও পেয়েছে তারা। তবে এর আগেও গীতাঞ্জলি-র কর্ণধার চোকসী গ্রেফতার হয়েছিলেন। সেটা ছিল ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রে অবৈধ ভাবে প্রবেশের জন্য। তখন ১৩ হাজার ৮৫০ কোটি টাকা ঋণখেলাপিতে অভিযুক্ত অভিযোগ করেন, ক্যারিবিয়ান দ্বীপরাষ্ট্র অ্যান্টিগা ও বারবুডা ছাড়তে তাঁকে বাধ্য করেছিলেন ভারতের তদন্তকারীরা। তাঁর উপর অত্যাচার হয়েছিল। তাঁকে অপহরণ করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রে।এদিকে তাঁর প্রত্যর্পণের বিষয়ে ইতিমধ্যে আইনি পরামর্শও নিতে শুরু করেছে ভারত সরকার।এরই মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে ভারত এবং বেলজিয়ামের মধ্যে প্রত্যর্পণ চুক্তি নিয়েও। উল্লেখ্য,সাধারণত প্রত্যর্পণের বিষয়গুলি নির্ভর করে দ্বিপাক্ষিক চুক্তির উপরে। সে ক্ষেত্রে পলাতক হিরে ব্যবসায়ী মেহুল চোকসীকে দেশে ফেরানোর ক্ষেত্রে এই চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।ইউরোপীয় এই দেশটির সঙ্গে ১৯০১ সালে একটি চুক্তি হয়েছিল ব্রিটেনের। পরে ১৯৫৮ সালে সেই চুক্তির সঙ্গে ভারতকেও যুক্ত করা হয়। পরে ২০২০ সালে ভারত সরকারের মন্ত্রিসভা বেলজিয়ামের সঙ্গে নতুন করে প্রত্যর্পণ চুক্তিতে অনুমোদন দেয়।সেই চুক্তি অনুসারে ভারত এবং বেলজিয়াম উভয়েই কিছু ক্ষেত্রে অভিযুক্তদের প্রত্যর্পণের বিষয়ে সম্মত হয়। আবার কিছু ক্ষেত্রে প্রত্যর্পণের অনুরোধ খারিজও করা হতে পারে।চুক্তি অনুসারে, কোনও অপরাধের জন্য দু’ দেশেই এক বছরের জেল বা তার চেয়েও বেশি শাস্তির নিদান থাকলে সেই অভিযুক্ত বা আসামিকে প্রত্যর্পণ করা যেতে পারে।
এ ক্ষেত্রে কর, রাজস্ব বা অর্থনৈতিক কোনও অপরাধও চুক্তির অন্তর্ভুক্ত। চোকসীর ক্ষেত্রে ভারতে প্রতারণা, দুর্নীতি এবং ষড়যন্ত্রের অভিযোগ রয়েছে।









