
মহিলা সংরক্ষণ আইনের আড়ালে বিজেপির গোপন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে সংসদে যখন হইচই চলছে, ঠিক তখনই শাণিত যুক্তির পাশাপাশি রসিকতায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে আক্রমণ করেছেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়ঙ্কা গান্ধী।
বিলের খুঁটিনাটি নিয়ে আলোচনার সময় অমিত শাহের হাসিমুখ দেখে প্রিয়ঙ্কা বলেছেন,গৃহমন্ত্রীজি হাসছেন। উনি তো পুরো ছক কষেই রেখেছেন। আজ চাণক্য বেঁচে থাকলে আপনার এই রাজনৈতিক কূটবুদ্ধি দেখে তিনিও নির্ঘাত চমকে যেতেন।উল্লেখ্য,সংসদে মহিলা সংরক্ষণ এবং আসন পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত বিলের বিরোধিতায় সরব হয়েছিলেন প্রিয়ঙ্কা। তাঁর বক্তৃতার সময় ট্রেজারি বেঞ্চে বসা অমিত শাহকে হাসতে দেখা যায়। সুযোগ হাতছাড়া না করে কংগ্রেস নেত্রী বলে ওঠেন, উনি পুরো পরিকল্পনা করে এখন হাসছেন। উনিও মনে মনে আমার কথার সঙ্গে একমত। প্রিয়ঙ্কার এই চাণক্য তকমায় অবশ্য ক্ষুব্ধ হননি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, বরং অমিত শাহের মুখে ধরা পড়েছে চওড়া হাসি। এরপরেই সুর চড়ান প্রিয়ঙ্কা গান্ধী। লোকসভার আসন সংখ্যা বাড়িয়ে ৮৫০ করার প্রস্তাবের পিছনে গভীর রাজনীতির গন্ধ পাচ্ছেন তিনি।
প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর প্রশ্ন, এই ৫৪৩টি আসনেই কেন আজ থেকে মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ কার্যকর করা যাচ্ছে না? কেন খামোখা ডিলিমিটেশন বা আসন পুনর্বিন্যাসের জন্য অপেক্ষা করতে হবে?কংগ্রেস নেত্রীর দাবি, প্রধানমন্ত্রী যদি সত্যিই আন্তরিক হতেন, তবে গোটা সংসদ এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপকে সমর্থন করত। কিন্তু বিলের ফাইন প্রিন্ট বা ছোট হরফে লেখা শর্তগুলি পড়লে বোঝা যায়, এর মাধ্যমে রাজ্যের অধিকার হরণ এবং গণতন্ত্রকে খণ্ড-বিখণ্ড করার ছক রয়েছে।









