
ঘূর্ণিঝড় রেমালের জেরে ঝড়বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত উত্তর-পূর্ব ভারত। মিজ়োরাম ও মণিপুরের বিভিন্ন অংশে ধস নেমে ও হড়পা বানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
মিজ়োরামে এখনও পর্যন্ত ২৭টি মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। অসমে মৃতের সংখ্যা অন্তত ৫। মিজ়োরামে নিখোঁজ ১০ জন, অসমে এক জন। ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড বৃষ্টি হয়েছে ত্রিপুরায়। ওই রাজ্যে প্রায় ২৩৪ কিলোমিটার লাইনে বিদ্যুৎ নেই। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে ত্রিপুরা, মিজ়োরাম ওঅসমের বরাক উপত্যকার মধ্যে। মিজ়োরাম-মণিপুরের মধ্যেও জাতীয় সড়ক বিচ্ছিন্ন।মণিপুরে কাংপোকপি জেলায় জলের তোড়ে সেতু ভেঙে গিয়েছে। মণিপুরের জিরিবামে রাস্তা ধসেছে, উখরুলে বন্যা পরিস্থিতি। বিপর্যস্ত সেনাপতি জেলাও।অসমের গুয়াহাটিতে ঝড়ে গাছ পড়ে ও জল জমে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। ডিমা হাসাও জেলা তছনছ। রেললাইনে বহু জায়গায় ধস নেমেছে। অসমের হারাঙ্গাজাওয়ে জাতীয় সড়কের অনেকটা কার্যত দু’ভাগ হয়ে গিয়েছে।আসাম বিশ্ববিদ্যালয় বুধবারের সমস্ত পরীক্ষা বাতিল করেছে। অসমের ৯টি জেলার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বুধবার বন্ধ থাকবে।ত্রিপুরার আগরতলা শহরের বেশ কয়েকটি নিচু এলাকা জলমগ্ন। পশ্চিম জেলার দশটি শরণার্থী শিবিরে অন্তত ২৮০ জন আশ্রয় নিয়েছেন।









