
ভার্চুয়াল রিয়ালিটিকে গ্রাহকদের কাছে জনপ্রিয় করতে কোটি কোটি ডলার খরচ করেও তেমন সফলতা পায়নি মেটা। এখন মেটাভার্সের ওপর বাজি ধরে স্মার্ট গ্লাস বা চশমার দিকে ঝুঁকছে কোম্পানিটি।
বিনিয়োগকারীরাও দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন, মানুষ এই নতুন প্রযুক্তিকে কীভাবে গ্রহণ করবে।কোম্পানিটির এ বার্ষিক কানেক্ট ইভেন্টে এখন পর্যন্ত নিজেদের সবচেয়ে উন্নত স্মার্ট চশমা ওপেন করেছে মার্কিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম জায়ান্টটি।এ চশমার কোডনেইম ,হাইপারনোভা। এতে রয়েছে ছোট একটি ডিসপ্লে, যা নিউরাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিশেষ এক রিস্টব্যান্ডের মাধ্যমে হাতের ইশারা দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। এটি মেটার এসিলরলুক্সোটিকা’র সঙ্গে পার্টনারশিপের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। এর আগে ২০২৩ সালে মেটার এআই প্রযুক্তি ,রে ব্যান মেটা এবং এ বছরের জুনে ওপেন হওয়া ওকলে মেটা এইচএসটিএন নামের স্মার্ট চশমাও তৈরি করেছে ,এসিলরলুক্সোটিকা।এসব স্মার্ট চশমাতে ক্যামেরা, স্পিকার ও মাইক্রোফোন থাকে, যা ইউজারদের মেটার এআই ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্টকে ছবি তুলতে, ভিডিও করতে বা গান চালাতে নির্দেশ দেয়।
রে-ব্যান চশমা এবং কোয়েস্ট ভিআর হেডসেটের হার্ডওয়্যার তৈরি করেছে মেটার রিয়ালিটি ল্যাবস বিভাগ।জুলাইয়ে মেটা বলেছে, এ বিভাগের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে অপারেটিং লোকসান হয়েছে চারশ ৫৩ কোটি ডলার এবং ২০২০ সালের শেষ থেকে এ বিভাগ মোট লোকসান করেছে প্রায় সাত হাজার কোটি ডলার।









