
গত ৪০ বছরেরও বেশি সময় ধরে সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণ করে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা সূর্যের অভ্যন্তরীণ গঠনে এমন কিছু সূক্ষ্ম ও রহস্যময় পরিবর্তন শনাক্ত করেছেন,যা আগে বোঝা যায়নি।
গবেষণা বলছে, সূর্য এমন কিছু সূক্ষ্ম পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে যা এর আগে পুরোপুরি বুঝতে পারেননি জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। সূর্যের ওপর সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এর অভ্যন্তরীণ গঠন প্রতিটি চক্রের সঙ্গে সঙ্গে সামান্য পরিবর্তিত হয়।জানা যাচ্ছে,প্রতি ১১ বছর পর পর সূর্য একটি চক্র সম্পন্ন করে, যেখানে প্রচণ্ড সক্রিয় অবস্থা থেকে শান্ত অবস্থায় ফিরে আসে সূর্য। এ শান্ত সময়ে সূর্যের গায়ে সানস্পট বা সৌর কলঙ্ক কম থাকে, চৌম্বক ক্ষেত্র দুর্বল হয়ে পড়ে এবং এর উপরিভাগ অনেকটা মসৃণ বা অভিন্ন দেখায়।তবে গবেষণায় উঠে এসেছে, সূর্যের প্রতিটি শান্ত সময় বা, মিনিমাম পিরিয়ড আসলে আগের বারের চেয়ে কিছুটা আলাদা। সূর্যের উপরিভাগের সামান্যতম পরিবর্তনও এর ভেতরে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে।এ গবেষণায় জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা সূর্যের ভেতরে তৈরি সূক্ষ্ম কম্পন বা সরণ পর্যবেক্ষণ করেছেন, যা আটকে পড়া শব্দতরঙ্গের মাধ্যমে তৈরি হয়।
এসব কম্পন বিশ্লেষণ করে সূর্যের পৃষ্ঠতলের ভেতরে কী ঘটছে তা বোঝা সম্ভব।গবেষকরা বিশেষ এক ধরনের ,গ্লিচ বা ত্রুটি খুঁজছিলেন,যা সূর্যের ভেতরে হিলিয়াম গ্যাস ,ডাবল আয়নাইজড বা, দ্বি-আয়নিত হয়ে গেলে শব্দতরঙ্গে তৈরি হয়। এর ফলে শব্দের গতিতেও পরিবর্তন আসে।









