
নতুন বছরের শুরুতেই গঙ্গাসাগর মেলা। কিন্তু তার আগেই ভাঙন এলাকা থেকে কপিল মুনির আশ্রমের দূরত্ব কমেছে।
আগামী বছরের সাগর মেলার প্রস্তুতি তাই চ্যালেঞ্জ জেলা প্রশাসনের কাছে। ইতিমধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসন মেলার প্রস্তুতি নিয়ে বৈঠক করেছে। গঙ্গাসাগর মেলা অফিসে মেলার পরিকাঠামোর সঙ্গে যুক্ত সব দপ্তর ও সুন্দরবন পুলিশ জেলার আধিকারিকদের উপস্থিতিতে চলেছে বৈঠক। উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক সুমিত গুপ্তা, সেচ দফতরের সচিব মণীশ জৈন, সুন্দরবনের পুলিশ সুপার কোটেশ্বর রাও। গঙ্গাসাগর মেলার আগে কপিল মুনি আশ্রমের সামনে সমুদ্র পাড়ের ভাঙন ঠেকাতে জেলা প্রশাসন কি ব্যবস্থা নেয় সেটাই এখন দেখার। ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’র কিছুটা প্রভাব পড়েছে এ রাজ্যের উপকূলেও। দানা আছড়ে পড়ার আগেই বৃষ্টি শুরু হয়েছিল সুন্দরবনজুড়ে।
গঙ্গাসাগরে কপিলমুনির আশ্রমের ৩, ৪ ও ৫ নম্বর মেলার মাঠে কোমর অবধি জল জমে যায়। ঝড়ের তাণ্ডবে সাগরের বেশ কিছু জায়গায় গাছ ভেঙে পড়ে।
ছবি সৌজন্যে : নিজস্ব









