
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদযাত্রার পরদিনই কাঁথিতে সিবিআই হানা। ভোট পরবর্তী হিংসা মামলার তদন্তে শুক্রবার সাতসকালে ৩ নম্বর ব্লকের ভাজাচাউলির ২ তৃণমূল কংগ্রেস নেতা নন্দদুলাল মাইতি ও দেবব্রত পণ্ডার বাড়িতে হাজির কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা।
জানা গিয়েছে, ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে এগরা থানার বাথুয়াড়ি এলাকায় জন্মেঞ্জয় দলুই নামে এক ব্যক্তিকে মারধরের অভিযোগ ছিল নন্দদুলাল মাইতিদের বিরুদ্ধে। যদিও সিবিআই-এর তালিকায় নন্দদুলালের নাম নেই। রয়েছে তাঁর ছেলে বুদ্ধদেব মাইতির নাম। শুক্রবার সিবিআইয়ের আধিকারিকরা বুদ্ধদেবকে না পেয়ে নন্দদুলালকে জেরা করার চেষ্টা করে, তবে ব্যর্থ হয়। অপরদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস নেতা দেবব্রত পন্ডা কে না পেয়ে তার মেয়েকে জেরা করে বলে খবর। এদিকে অভিযানের খবর পেয়ে সিবিআইয়ের তালিকায় এক নম্বরে নাম থাকা কাঁথি ৩ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বিকাশচন্দ্র বেজ গা ঢাকা দিয়েছেন। উল্লেখ্য ঘটনার সূত্রপাত ৩০ মার্চ, ২০২১। উওর কাঁথির বাথুয়াড়ি এলাকার বাসিন্দা বিজেপি নেতা জন্মেঞ্জয় দোলাই কাঁথি থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময় মশাঁগা ব্রিজের কাছে তৃণমূল নেতারা তাকে মারধর করে বাইকে করে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ। পরে ভাউচাউলি অঞ্চলের কাদুয়া এলাকার একটি মাঠে তার ক্ষতবিক্ষত রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। অভিযোগ মৃত জন্মেঞ্জয় দোলাই এক সময় সিপিএম করতেন। তাই তৎকালীন সিপিএমের মারিশদার জোনাল সম্পাদক কালীপদ শিট মারিশদা থানায় বিকাশ বেজ-সহ ১১ জন তৃণমূল নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ৬ জন তৃণমূল কর্মীকে গ্রেপ্তার করে। ৯০দিন পর তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা জামিনে মুক্ত হয়। এর পর মৃত জন্মেঞ্জয় দোলাইয়ের পরিবার সিবিআই তদন্তের দাবি জানায়।পরবর্তীতে আদালত সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয়।









