
ইনস্টাগ্রামে ১৩ থেকে ১৫ বছর বয়সী প্রতি ৫ জন ইউজারের মধ্যে প্রায় ১ জন তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে অ্যাপটিতে নগ্ন বা যৌনতাপূর্ণ ছবি দেখেছে বলে উঠে এসেছে মেটার অভ্যন্তরীণ এক জরিপে।ক্যালিফোর্নিয়ার এক ফেডারেল আদালতে জমা দেওয়া মেটার অভ্যন্তরীণ ওই নথিতে এ তথ্য উঠে এসেছে, যা টিনএজার ইউজারদের মানসিক স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
আদালতের নথির তথ্য অনুসারে, ১৩ থেকে ১৫ বছর বয়সী প্রতি ৫ জন ইউজারের মধ্যে প্রায় ১ জন মেটাকে বলেছে, ইনস্টাগ্রামে এমন সব নগ্নতা বা যৌনতাপূর্ণ ছবি তারা দেখেছেন, যা তারা দেখতে চাননি।মামলার অংশ হিসেবে এ নথিটি প্রকাশ্যে আনা হয়। এ নথিতে ২০২৫ সালের মার্চে ইনস্টাগ্রাম প্রধান অ্যাডাম মোসেরি’র দেওয়া জবানবন্দির কিছু অংশও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।মামলার অংশ হিসেবে প্রকাশ্যে আসা অন্য এক নথিতে দেখা গেছে, কোম্পানিটিকে টিনএজার ইউজারদের ওপর বিশেষ নজর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন মেটার একজন গবেষক।টিনএজাররা তাদের পরিবারের জন্য ক্যাটালিস্ট বা পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে।ফলে তাদের ছোট ভাইবোন ও মা-বাবা কীভাবে অ্যাপটি ব্যবহার করবেন তার ওপর বড় প্রভাব ফেলে তাদের ব্যবহারের বিষয়টি।
ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মালিকানাধীন কোম্পানি মেটা বিশ্বনেতাদের কাছ থেকে প্রায়ই এমন অভিযোগের মুখে পড়ছে, যেখানে বলা হচ্ছে, তাদের বিভিন্ন পণ্য তরুণ ইউজারদের মানসিক ক্ষতির কারণ হচ্ছে।উল্লেখ্য আমেরিকায় ফেডারেল ও অঙ্গরাজ্যের আদালতে হাজার হাজার মামলায় কোম্পানিটির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে,তারা এমনভাবে বিভিন্ন অ্যাপ তৈরি করেছে, যা আসক্তি ও অপ্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্য সংকট তৈরি করছে।









