
জেফ বেজোস যখন ঠিক করলেন অ্যামাজনকে স্মার্টফোন বাজারে প্রবেশ করতে হবে তখন পুরোপুরি মনোযোগ দিয়েই তিনি এগোলেন। ফলে তৈরি হল ফায়ার ফোন নামের এক অদ্ভুত ফোনের।
আইডিয়ার দিক থেকে ফোনটি যে কোনো গ্যাজেটের চেয়ে বৈচিত্র্যময় ও সমৃদ্ধ হলেও এর একটাই সমস্যা ছিল। কারণ, ফোনের সেইসব আইডিয়ার বেশিরভাগই ভালো নয়।২০১৪ সালে লম্বা ফিচারের তালিকাসহ ফায়ার ফোন বাজারে আনে মার্কিন ই কমার্স জায়ান্টটি।ফোনের স্ক্রিনে ছিল থ্রিডি ইফেক্ট, অনেকগুলো ক্যামেরা ও পুরো হোম স্ক্রিনজুড়েই ছিল ডিলাইটার নামে কিছু ফিচারে ভরা।ফায়ার ফোন তৈরির মূল উদ্দেশ্য ছিল অ্যামাজন থেকে কেনাকাটার বিষয়টি সহজ করা। এমনটি চেয়েছিলেন বেজোস, তবে ইউজারদের চাওয়া ছিল ভিন্ন। বাজারে আসার কয়েক মাসের মধ্যেই ফোনটি এক ডলারের কম দামে পাওয়া গিয়েছে।এরপরও মানুষ এই ফোন কিনতে চাননি।বাজারে আসার মাত্র দু’ মাসের মধ্যে অ্যামাজন ঘোষণা করেছিল,এটিঅ্যান্ডটি-এর সঙ্গে গ্রাহকরা দু’ বছরের চুক্তি করলে দু’শো ডলারে পাওয়া যাবে ফোনটি। তবে শুরুতে ফোনটির দাম ছিল সাড়ে ছ’শ ডলার।
এরপরও ক্রেতারা কিনতে না চাওয়ায় ৯৯ সেন্টে বিক্রি হয়েছিল ফোনটি।মার্কিন ই কমার্স জায়ান্টটি বলেছে, ফায়ার ফোনের ব্যর্থতার কারণে ২০১৪ সালের তৃতীয় ত্রৈমাসিকে তাদের ১৭ কোটি ডলারের ক্ষতি হয়েছিল।









