
সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন ডিপফেকের ছড়াছড়ি। ডিপফেক বলতে ভুয়ো বা এআই-জেনারেটেড অডিও, ভিডিও এবং ছবি বোঝায়,যেগুলো বাস্তবের মতোই দেখতে বা শুনতে লাগে।
অধিকাংশ সময় এসব ব্যবহার করা হয় মিথ্যা প্রচার, গুজব ছড়ানো বা জালিয়াতির উদ্দেশ্যে।রাষ্ট্রপ্রধান থেকে সাধারণ মানুষ,অনেকে ইতিমধ্যেই এই ডিপফেকের শিকার হয়েছেন।ডিপফেক যাচাইয়ের কিছু কার্যকর পদ্ধতির জন্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনো ছবি বা ভিডিও ভাইরাল হলে প্রথমে এর উৎস যাচাই করুন। যে অ্যাকাউন্ট বা আইডি থেকে পোস্টটি এসেছে, সেটি সত্যি না ভুয়ো তা দেখুন। অ্যাকাউন্টের পুরোনো পোস্ট, ফলোয়ার সংখ্যা, প্রোফাইল ছবি ইত্যাদি দেখে আসল বা নকল বোঝা যায়।যেমন ছবি বা ভিডিওতে মুখ ভালোভাবে লক্ষ্য করুন।ভিডিও থামিয়ে চোখ, ঠোঁট ও চুলের রেখা খেয়াল করুন। ডিপফেকে মুখের রেখা অস্বাভাবিক লাগে,চোখের পলক ফেলা বা দাঁত–কানের গঠন অদ্ভুত হয়। হাত, পা, আঙুল, চোখ বা চুলের প্রান্তেও অসামঞ্জস্য চোখে পড়তে পারে।পাশাপাশি,ছবি বা ভিডিওতে আলো, ছায়া ও প্রতিফলন স্বাভাবিক কিনা দেখুন। এআই-তৈরি কনটেন্টে আলোর প্রতিফলন প্রায়ই অস্বাভাবিক হয়। পরিবেশের আলো ও বস্তু বা মানুষের ওপর আলোর প্রভাবের অসঙ্গতি ডিপফেকের বড় লক্ষণ।তারপর ডিপফেক অডিও বা ভিডিওর কণ্ঠস্বর মনোযোগ দিয়ে শুনুন। এআই-তৈরি কণ্ঠে প্রায়ই অস্বাভাবিক বিরতি, নিঃশ্বাসের ভাঙন বা সিনথেটিক টোন থাকে।
কণ্ঠস্বর কিছুটা রোবটিক শোনায়। সন্দেহ হলে সেই ব্যক্তির অন্য আসল ভিডিওর কণ্ঠের সঙ্গে তুলনা করুন।









