
বিশ্বজুড়ে ব্যবহৃত তিনশ ৯০ কোটি ফোন অ্যান্ড্রয়েডে চলে, যেটি মোট স্মার্টফোনের প্রায় ৭০ শতাংশের সমান। এত বড় ইউজার গোষ্ঠী থাকার কারণে অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসগুলো ম্যালওয়্যার আক্রমণের প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ফোন ম্যালওয়্যারে আক্রান্ত হলে সেটি সাইবার অপরাধীদের কাছে ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস করতে পারে,ইউজারকে অজস্র বিজ্ঞাপনে জর্জরিত করে ফেলতে পারে এবং ফোনের সামগ্রিক পারফরম্যান্সও মারাত্মকভাবে কমিয়ে দিতে পারে।অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস সংক্রমিত হওয়ার একটি সাধারণ উপায় হলো সন্দেহজনক অ্যাপ ইনস্টল করা, যেগুলোর মধ্যে ম্যালওয়্যার লুকিয়ে থাকতে পারে।অজানা থার্ড পার্টি ‘অ্যাপ স্টোর’ থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করা বা পেইড সফটওয়্যারের ক্র্যাকড ভার্সন ইনস্টল করাই স্মার্টফোনকে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে ফেলে।এসব অ্যাপ স্মার্টফোনের উপর অযাচিত নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে এবং ক্ষতি করতে পারে।তাছাড়া সন্দেহজনক লিংকে ক্লিক করা বা হ্যাকড ওয়েবসাইট ভিজিট করাও অ্যান্ড্রয়েড ম্যালওয়্যারের শিকার হওয়ার অন্যতম উপায়।তুলনামূলকভাবে বিরল হলেও কিছু ক্ষতিকর ইউএসবি ডিভাইস বা কেবলও শারীরিকভাবে ম্যালওয়্যার ছড়িয়ে ফোন আক্রান্ত করতে পারে। যেভাবেই সংক্রমণ ঘটুক না কেন, আক্রান্ত অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস কিছু নির্দিষ্ট লক্ষণ দেখায় যা থেকে বোঝা যায় ভেতরে কিছু একটা গণ্ডগোল হচ্ছে।
এর মধ্যে রয়েছে বারবার পপ-আপ বিজ্ঞাপন দেখা, হঠাৎ ডেটা খরচ বেড়ে যাওয়া, অস্বাভাবিক কার্যকলাপ ইত্যাদি।









